ফোল্ডারে পাসওয়ার্ড দেয়ার জন্য একটি ছোট ও কার্যকর সফটওয়্যার

আমাদেরকে বিভিন্ন কারনে ফাইলকে লুকিয়ে রাখার বা পাসওয়ার্ড দিয়ে রাখার প্রয়োজন হয়। আনেক পাসওয়ার্ড সফটওয়্যার আছে। কিন্তু তা উইন্ডোজ রিইনস্টল করলে তা চলে যায় এবং তা দিয়ে পেনড্রাইভে পাসওয়ার্ড দেয়া যায় না। এসব সমস্যার সমাধান হল “File Protector”। এই সফটওয়্যারটি দিয়ে আপনি হার্ডড্রাইভ বা পেনড্রাইভ যে কোনটির ফাইলে পাসওয়ার্ড দিয়ে রাখতে পারবেন। এর সাইজ মাত্র ৬৮৫ কিলোবাইট। এটি ইনস্টল করার কোন ঝামেলা নেই। এটি একটি পোর্টেবল সফটওয়্যার। এর ব্যবহার বিধি খুব সহজ। এর ইউজার ইন্টারফেস সুন্দর এবং ইউজার ফ্রেন্ডলি।

এ সফটওয়্যারটি এখান থেকে ডাউনলোড করুন। ফোল্ডার লক করার জন্য এটিকে ফোল্ডারটির ভেতর কপি করুন এবং যে কোন পাসওয়ার্ড দিয়ে Protect বাটন ক্লিক করুন। এখন ফোল্ডার থেকে সফটওয়ারটি মুছে দিতে পারেন। আবার যখন পাসওয়ার্ড খুলতে হবে তখন সফটওয়ারটি আবার ফোল্ডারটিতে কপি করে চালু করুন তখন নিচের উইন্ডোটি দেখতে পাবেন।

এতে তিনটি রেডিও বাটন আছে। Virtual Disk সিলেক্ট করলে আপনার ফাইল গুলো একটি নতুন ড্রাইভে চালু হবে। Temporary সিলেক্ট করলে যে ফোল্ডারে এটি চালু করেছেন সে ফোল্ডারে আপনার ফাইল গুলো চালু হবে। এ দুটি সাময়িক ব্যবহারের জন্য। আপনি যদি প্রটেক্ট আর না করতে চান তাহলে Complete সিলেক্ট করুন। তারপর পাসওয়ার্ড দিয়ে Unprotect ক্লিক করুন। তবে সাবধান! এটির পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে আপনার ফাইল আর ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা নাই বললেই চলে। তবে এর প্রটেক্ট পদ্ধতি খুব শক্ত।

Advertisements

সফটওয়্যার ছাড়া ফোল্ডার লক করা

এখানে যে পদ্ধতি বলেছি তা ফাইল লক করার সহয পদ্ধতি। এ লক ফাইল খোলাও সোজা। তবে সবার কাছে নয়।

লক করার নিয়মঃ

প্রথমে আপনাকে এক্সটেনশন (Ex: .txt, .doc etc.) শো করাতে হবে। এর জন্য মাই কম্পিউটার ওপেন করে মেনু থেকে Tools > Folder Options… এ ক্লিক করুন ( উইন্ডোজ সেভেন ব্যবহারকরীরা মাই কম্পিউটার চালু করে কীবোর্ড থেকে Alt চাপ দিন তাহলে মেনু বার দেখতে পাবেন; উইন্ডোজ এইট এ View ট্যাবে গিয়ে Options এ ক্লিক করতে হবে।)। এবার Folder Options উইন্ডো থেকে View ট্যাবে যেতে হবে। তারপর Advanced Settings অংশ থেকে Hide extensions for known file types এর টিক চিহ্ন উঠিয়ে দিন। এবার নিচের নিয়ম অনুসরন করুনঃ

ফাইল লক করার জন্য শুধু কতগুলো কোড মুখস্থ রাখতে হবে। যেকোন ফোল্ডারের নামের শেষে ডট (.) দিয়ে লিখলে ফোল্ডার লক হবে। ফোল্ডার লক করা হলে তাতে ঢুকতে চাইলে অন্য ফোল্ডার চালু হবে। কোড গুলো নিচে দেয়া হলঃ

১. {21EC2020-3AEA-1069-A2DD-08002B30309D} – এ কোডটি দিলে কন্ট্রোল প্যানেল ওপেন হবে।

২. {20D04FE0-3AEA-1069-A2D8-08002B30309D} – এ কোডটি দিলে মাই কম্পিউটার ওপেন হবে।

৩. {E7E4BC40-E76A-11CE-A9BB-00AA004AE837} – এ কোডটি দিলে ইন্টারনেট এক্সপ্লোবার ওপেন হবে।

যেমনঃ কোন ফোল্ডারের নাম New হলে তা লক করতে ফোল্ডারটি রিনেম করে লিখতে হবে New.{20D04FE0-3AEA-1069-A2D8-08002B30309D}

তা হলে দেখা যাবে এটি কন্ট্রোল প্যানেলের আইকন হয়ে গেছে। প্রথম দু’টি কোডে আইকম পরিবর্তিত হলেও তৃতীয়টিতে কোন আইকন পরিবর্তন হবে না। সব কোড কাজ নাও করতে পারে।

ফোল্ডার লক করে ফোল্ডার অপশনে গিয়ে Hide extensions for known file types এর টিক টি দিয়ে দিন। তাহলে ফোল্ডারের কোড গুলো দেখা যাবে না। ফলে কেউ বুঝতেও পারবে না 🙂 আর এক্সপিতে সবগুলো কাজ করলেও সেভেন এবং পরের উইন্ডোজ গুলোতে প্রথমটি কাজ নাও করতে পারে।

লক খোলার নিয়মঃ

লক খোলার জন্য উপরের নিয়মে “Hide extensions for known file types” টিক চিহ্ন উঠিয়ে দিয়ে ফোল্ডারের নামের শেষে শুধু শেষের ডট(.) সহ কোডটি মুছে দিলেই হবে।

কোন সমস্যা হলে কমেন্টে বলবেন। ধন্যবাদ।