ওয়ার্ডপ্রেস.কম (WordPress.com) – টিউটোরিয়াল – ৮ – বুকমার্ক বার থেকে পোষ্ট করা এবং এক ব্লগে একাধিক লেখক যুক্ত করা (শেষ পর্ব)

আজ শেষের পর্বে দেখাব কিভাবে ব্রাউজারের বুকমার্ক বার থেকে দ্রুত পোষ্ট করা যায় এবং একই ব্লগে একাধিক লেখক যুক্ত করা যায়।
বুকমার্ক বার থেকে শুরু করি। বুকমার্ক থেকে দ্রুত পোষ্ট বলতে বুঝানো হয়েছে যে, বুকমার্ক বারে এমন একটি বুকমার্ক যোগ করা হবে যাতে ক্লিক করে আপনি সরাসরি নতুন পোষ্ট করতে পারবেন। আপনাকে আপনার সাইটে বা সাইটের ড্যাসবোর্ডে যেতে হবে না।
বুকমার্কটি তৈরি করার জন্য প্রথমে আপনাকে আপনার ব্লগের ড্যাসবোর্ডে যেতে হবে। তারপর ড্যাসবোর্ডের বামপাশে থেকে Tools অংশের Tools অপশনে ক্লিক করতে হবে।

তাহলে যে পেজটি আসবে সেখানে নিচের মত Press This নামে একটি বাটন দেখতে পাবেন।

এবার বাটনটির উপর মাউস পয়েন্টার নিয়ে গিয়ে লেফ্ট বাটন ক্লিক করে রেখে অর্থাৎ ড্র্যাগ করে বুকমার্ক বারে ড্রপ করুন।

তাহলে বুকমার্ক বারে Press This নামে একটি বুকমার্ক যুক্ত হবে। এখন এতে ক্লিক করলে নতুন একটি উইন্ডোতে পোষ্ট করার সব কিছু চলে আসবে। সে উইন্ডো থেকেই আপনি নতুন পোষ্ট লিখতে এবং পাবলিশ করতে পারবেন।

এবার দেখা যাক কিভাবে এক ব্লগে একাধিক লেখক যুক্ত করা যায়। আপনি চাইলে আপনার ব্লগে একাধিক লেখক যুক্ত করতে পারবেন। একাধিক লেখক যুক্ত করার জন্য প্রথমে ব্লগের ড্যাসবোর্ডে যেতে হবে। তারপর বাম দিক থেকে Users অংশের Users অপশনে ক্লিক করতে হবে।

তাহলে যে পেজ আসবে সেখানে আপনার ব্লগের সব লেখকদের দেখতে পাবেন। যদি আপনি একাই লেখক হন তাহলে শুধু আপনার নাম দেখা যাবে। এখন নতুন লেখক যুক্ত করার জন্য Add User Form Community অংশের User E-Mail বক্সে লেখকের ইমেইল এ্যাড্রেস লিখুন, তারপর Role অংশ থেকে Author সিলেক্ট করে Add User বাটনে ক্লিক করুন। তাহলেই ঐ ইউজার লেখক হিসেবে আপনার ব্লগে যুক্ত হবে। আপনি যে লেখকের ইমেইল দিবেন তাকে অবশ্যই ওয়ার্ডপ্রেস.কম সাইটে আগে থেকে রেজিষ্টেশন করে রাখতে হবে।

লেখক একাধিক হলে পোষ্ট করার সময় পোষ্ট পেজের নিজের দিকে Author নামে একটি বক্স থাকে, তাতে কোন লেখক পোষ্টটি করেছেন তা সিলেক্ট করে দিতে হবে। সাধারনত এটা সয়ংক্রিয় সিলেক্ট হয়ে থাকে।

ওয়ার্ডপ্রেস.কম ব্লগে আরো কিছু ফাংশন আছে। সেগুলো তেমন প্রয়োজনীয় না। এখন পর্যন্ত যে সব শেখানোর চেষ্টা করেছি সেগুলো ভাল ভবে আয়ত্ত করতে পারলে অন্য ফাংশন গুলো এমনি আয়ত্তে এসে যাবে। আর কোন সমস্যা হলে আমি তো আছিই। আমাকে মেইল করতে পারেন বা কমেন্টে লিখে সমস্যা জানাতে পারেন।
ধন্যবাদ।

ওয়ার্ডপ্রেস.কম টিউটোরিয়ালটি মোট ৯টি পোষ্ট এর সমন্বয়ে তৈরি করা হয়েছে। আপনাদের সুবিধার্থে টিউটোরিয়ালের সব পেজের লিঙ্ক নিচে দেয়া হলঃ

ওয়ার্ডপ্রেস.কম (WordPress.com) – টিউটোরিয়াল – ৭ – ফেসবুক, টুইটার, ইয়াহু ইত্যাদিতে সয়ংক্রিয় পোষ্ট শেয়ার করা (Publicize) এবং কিছু ট্রিক্স (র‍্যানডম পোষ্ট বাটন, ফলো বাটন, পোষ্ট সূচী)

আজকের পোষ্টে দেখাব কিভাবে ফেসবুক, টুইটার, ইয়াহু ইত্যাদিতে নতুন পোষ্ট সয়ংক্রিয় শেয়ার করা যায় এবং ব্লগে র‍্যানডম পোষ্ট বাটন, ফলো বাটন ও পোষ্ট সূচী তৈরি করা যায়।
প্রথমে শেয়ার করা পদ্ধতি দিয়ে শুরু করি। নতুন পোষ্ট ফেসবুক, টুইটার, ইয়াহু ইত্যাদিতে সয়ংক্রিয় শেয়ার করাকে ওয়ার্ডপ্রেস.কম এ বলা হয় Publicize. যার শাব্দিক অর্থ প্রচার করা। আপনার নতুন পোষ্ট সয়ংক্রিয় ফেসবুক, টুইটার, ইয়াহু ইত্যাদির মাধ্যমে প্রচার করা যায় বলে একে Publicize বলা হয়েছে।
Publicize করার জন্য প্রথমে আপনাকে ড্যাসবোর্ড যেতে হবে। তারপর বামে Dashboard অংশ থেকে My Blogs এ ক্লিক করতে হবে।

তাহলে যে পেজটি আসবে সেটি দেখতে নিচের মত।

এখানে আপনার ব্লগের নাম দেখা যাবে। এখানে দেখবেন কিছু চেক বক্স আছে। চেক বক্স গুলোর নাম যথাক্রমে – Yahoo! Updates, Twitter, Facebook এবং Messenger Connect.
এখন আপনি যেখানে যেখানে পাবলিসাইজ করতে চান সেখানে টিক চিহ্ন দিন। টিক চিহ্ন দেয়ার পর আপনাকে ঐ একাউন্টে লগইন পেজে নিয়ে যাওয়া হবে। লগইন করা হলে বা আগ থেকে লগইন করা থাকলে একটি পেজ আসবে, সেখান থেকে Allow বাটনে ক্লিক করতে হবে। ধরুন আপনি Facebook চেক বক্সে টিক দিয়েছেন তাহলে আপনার সামনে ফেসবুকের লগইন উইন্ডো আসবে, আর যদি লগইন করাই থাকে তাহলে আপনার পারমিশন চাবে। তখন Allow বাটনে ক্লিক করলেই হবে। একই ভাবে সবগুলো একাউন্ট আপনার ব্লগে যুক্ত করতে পারবেন। একাউন্ট যোগ করার পর নতুন কোন পোষ্ট করলে তা সয়ংক্রিয় আপনার যুক্ত করা একাউন্ট গুলোতে শেয়ার হয়ে যাবে।

এবার ওয়ার্ডপ্রেস.কম ব্লগের কিছু ট্রিক্স দেখাব। প্রথমে দেখা যাক কিভাবে ব্লগে র‍্যানডম পোষ্ট বাটন যুক্ত করা যায়।
র‍্যানডম পোষ্ট বাটন
আমার এ ব্লগের ডানে খুজলে দেখবেন Random Post নামে একটি বাটন আছে। এতে ক্লিক করলে এ ব্লগের র‍্যানডম অর্থাৎ উল্টা-পাল্টা যে কোন একটি পোষ্ট চালু হবে। এরকম বাটন তৈরির জন্য আপনাকে উইজেট পেজে যেতে হবে। এ জন্য প্রথমে ড্যাসবোর্ডে গিয়ে বামে Appearance অংশ থেকে Widgets অপশনে ক্লিক করতে হবে।

এবার উইজেট পেজে Available Widgets অংশ থেকে Text উইজেট ড্র্যাগ করে Primary Widget Area অংশে ড্রপ করুন। তার পর সেখানে Title বক্সের নিচের বক্সে নিচের কোড লিখুন।

<span style="font-size:130%;"><a class="blank" href="https://iwwintricks.wordpress.com/?random" title="এলোমেলো ভাবে যে কোন একটি পোস্ট দেখাতে চাইলে এখানে ক্লিক করুন" target="_blank">Random Post</a></span>

উপরের কোডে iwwintricks.wordpress.com এর যায়গায় আপনার ব্লগের ঠিকানা লিখুন।
তাহলে উইজেট উইন্ডোটি দেখতে নিচের মত হবেঃ

এবার Save বাটনে ক্লিক করুন। তাহলে দেখবেন আপনার ব্লগে Random Post নামে একটি বাটন যুক্ত হয়েছে। এতে ক্লি করলে আপনার ব্লগের যে কোন একটি পোষ্ট চালু হবে।

ফলো বাটন
আপনি চাইলে আপনার ব্লগে ফলো বাটন দিতে পারেন। ফলো বাটনে সাধারনত নিজের ফেসবুক একাউন্ট এবং টুইটার একাউন্টের লিঙ্ক দেয়া থাকে। ফলো বাটন তৈরির জন্য আপনাকে উইজেট পেজে গিয়ে Available Widgets থেকে আরো একটি Text উইজেট ড্র্যাগ করে Primary Widget Area তে ড্রাপ করতে হবে। তারপর Title বক্সের নিচের বক্সে নিচের মত কোড লিখতে হবে।

<a href="http://www.facebook.com/username" target="_blank"><img src="http://cache.addthis.com/icons/v1/thumbs/32x32/facebook.png" border="0" alt="Facebook" /></a>

<a href="http://twitter.com/username" target="_blank"><img src="http://cache.addthis.com/icons/v1/thumbs/32x32/twitter.png" border="0" alt="Twitter" /></a>

উপরের কোডে http://www.facebook.com/username এর যায়গায় আপনার ফেসবুকের প্রোফাইলের ঠিকানা দিতে হবে এবং twitter.com/username এর যায়গায় আপনার টুইটার পেজের ঠিকানা দিতে হবে। আপনি চাইলে উইজেটের Title এ Follow Me জাতীয় কিছু লিখতে পারেন। সব শেষে Save বাটনে ক্লিক করুন।

পোষ্ট সূচী
আমার ব্লগে একটি পেজ আছে। যার নাম পোষ্ট সূচী। এটি এখানে ক্লিক করে দেখে আসতে পারেন। এ পেজে আমার ব্লগের সব পোষ্টের টাইটেল এবং লিঙ্ক আছে। মনে হতে পারে এটি Manually তৈরি। কিন্তু না এটি একটি সয়ংক্রিয় পদ্ধতি। মাত্র একটা শব্দ দিয়ে এ কাজটি করা হয়েছে। এ ধরনের পোষ্ট সূচী তৈরির জন্য প্রথমে একটি নতুন পেজ তৈরি করুন। নতুন পেজ তৈরির জন্য ড্যাসবোর্ডে গিয়ে বামে Pages অংশ থেকে Pages এ ক্লিক করুন, তারপর Add New বাটনে ক্লিক করুন (নতুন পেজ তৈরি করতে সমস্যা হলে এখানে ক্লিক করে নতুন পেজ তৈরি করা দেখে আসতে পারেন)। তারপর নতুন পেজে শুধু নিচের কোডটি লিখে এবং ইচ্ছে মত টাইটেল দিয়ে পাবলিশ করুন।

[ archives ]

উপরের কোডে archives এর দুইপাশের চিহ্ন দুটির মাঝখানের Space মুছে দিন। তা না হলে কোড কাজ করবে না। তারপর নতুন পেজটি চালু করে দেখুন সব ঠিক আছে কিনা। লেখা যদি বেশী ছোট দেখায় তাহলে পেজটি এডিট করে উপরের কোডটির বদলে নিচের কোডটি লিখুন। এডিট করার জন্য আপনার পেজটিতে গিয়ে পেজটির উপরে ওয়ার্ডপ্রেস.কমের যে বারটি আছে সেখানে শেষের দিকের Edit বাটনে ক্লিক করুন। তারপর আগের কোডটি মুছে নিজের কোডটি লিখে Update করুন।

<span style=”font-size:130%;”>[ archives ]</span>

উপরের কোডে archives এর দুইপাশের চিহ্ন দুটির মাঝখানের Space মুছে দিন। তা না হলে কোড কাজ করবে না।
পোষ্ট সূচী সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে এখানে দেখতে পারেন।
আজকে এ পর্যন্তই। কোথাও কোন সমস্যা হলে কমেন্ট করবেন।
ধন্যবাদ।

ওয়ার্ডপ্রেস.কম টিউটোরিয়ালটি মোট ৯টি পোষ্ট এর সমন্বয়ে তৈরি করা হয়েছে। আপনাদের সুবিধার্থে টিউটোরিয়ালের সব পেজের লিঙ্ক নিচে দেয়া হলঃ

ওয়ার্ডপ্রেস.কম (WordPress.com) – টিউটোরিয়াল – ৬ – ব্লগের নাম, আইকন, ইমেইল, ভাষা ইত্যাদি পরিবর্তন করা এবং পেজ তৈরি করা

আজকের পোষ্টে দেখাব কিভাবে ব্লগের নাম, আইকন, ইমেইল, ভাষা ইত্যাদি পরিবর্তন করতে হয় এবং নতুন পেজ তৈরি এবং এডিট করতে হয়। তাহলে শুরু করা যাক।
ব্লগের নাম, আইকন, ভাষা ইত্যাদি পরিবর্তন করতে হলে প্রথমে আপনাকে ব্লগের ড্যাসবোর্ডে যেতে হবে। ড্যাসবোর্ডে যাওয়ার পর বামে নিচের দিকে থেকে Settings বিভাগের General অপশনে ক্লিক করুন।

তাহলে যে পেজ আসবে সেখানে অনেক গুলো বক্স দেখতে পাবেন। Site Title বক্সে ব্লগের টাইটেল (যেমনঃ এই ব্লগের টাইটেল IW windows tricks) দিতে হবে। Tagline বক্সে ব্লগের বিষয়ের উপর একলাইনের সংক্ষিপ্ত বর্ননা দিতে হবে। যাতে ভিজিটর তা দেখে আপনার ব্লগের বিষয় বস্তু সম্পর্কে ধারনা পায়। E-mail address বক্সে আপনার ইমেইল ঠিকানা লিখুন। এখানে যে ঠিকানা লিখবেন সে ঠিকানায় ব্লগে নতুন কমেন্ট এলে বা ব্লগের কেউ সাবক্রাইব হলে আপনাকে জানানো হবে। Timezone থেকে Dhaka সিলেক্ট করুন। Data Format থেকে পোষ্ট তারিখ কিভাবে দেখাবে তা দেখিয়ে দিন। Time Format থেকে সময় পোষ্টে কিভাবে দেখানো হবে তা দেখিয়ে দিন। Week Starts On থেকে Saturday সিলেক্ট করে দিন। এ বক্সে সপ্তাহের শুরু হয় কোন দিন থেকে তা দেখিয়ে দিতে হয়। আমরা তাই Saturday দেখিয়ে দিব। Language থেকে ব্লগের ভাষা ঠিক করে দিন। আপনার ব্লগটি যদি বাংলাতে হয় তাহলে “bn – বাংলা” সিলেক্ট করে দিন।

পেজের ডানদিকে Blog Picture / Icon নামে একটি অংশ আছে এখানে আপনার ব্লগের জন্য একটি আইকন সিলেক্ট করে দিতে পারেন। এই আইকন আপনার ব্রাইজারের এ্যাড্রেস বারের পাশে দেখা যাবে। আইকন যোগ করার জন্য ব্রাউজ বা Browse বাটনে ক্লিক করে একটি jpeg বা png পিকচার ফাইল দেখিয়ে দিন। তারপর Upload Image বাটনে ক্লিক করে পিকচার আপলোড করুন। আপলোড হলে আপনাকে পিকচারটির Crop করার অপশন দেবে। আপলোড করা পিকচারের কোন অংশ বা কতটুকু আইকন হিসেবে ব্যবহার করা হবে তা সেখানে দেখিয়ে দেয়া যাবে।
সব কাজ শেষে Save Changes এ ক্লিক করুন। তাহলে আপনার দেয়া সেটিং গুলো সেভ হবে। সব সেটিং সাথে সাথে চালু হলেও ব্লগের আইকন সাথে সাথে দেখা যাবে না। আইকন অ্যাকটিভ হতে কিছু সময় নিবে।

এবার দেখা যাক কিভাবে পেজ তৈরি করা যায়। পেজ তৈরির জন্য প্রথমে ব্লগের ড্যাসবোর্ডে গিয়ে বামে Pages অংশ থেকে Pages অপশনে ক্লিক করুন।

তাহলে যে পেজ আসবে সেখান আপনার সব পেজের নাম দেখাবে। এখন নতুন পেজ যোগ করতে চাইলে Add New বাটনে ক্লিক করুন।

আর আপনি যদি পুরনো পেজ সম্পাদনা (Edit) করতে চান তাহলে সে পেজের নামের উপর মাউস পয়েন্টার রাখতে হবে, তাহলে কিছু অপশন আসবে। সেগুলো থেকে Edit লেখাতে ক্লিক করতে হবে।

Add New বা Edit বাটনে ক্লিক করলে যে পেজ আসবে তা এবং নতুন পোষ্ট করার পেজের মত। তাই আমি আর সেগুলো নিয়ে লিখছি না। পোষ্ট করার বিস্তারিত নিয়ম এখান থেকে দেখে আসতে পারেন। এ পেজে একটা অতিরিক্ত যে অপশন আছে। সেটার কাজ নিচে দিলাম।
অতিরিক্ত অপশনটার নাম Page Attributes. এতে তিনটি অপশন আছে। Parent, Template এবং Order । Template অপশন তেমন গুরুত্বপূর্ন না।
ব্লগে সাধারনত পেজ গুলো মেনু আকারে দেখায়। অনেক সাইটে দেখা যায় এসব মেনুতে মাউস পয়েন্টার নিয়ে গেলে সাব মেনু দেখা যায়, যেগুলোতে ক্লিক করলে এর সাব পেজ গুলো চালু হয়। যেমন নিচের চিত্রে Blog Info যদি একটি পেজ হয় তাহলে, এর সাব পেজ হচ্ছে Random Post, Get Shortlink ইত্যাদি।

এধরনের সাব মেনু অর্থাৎ সাব পেজ Parent অপশনের মাধ্যমে তৈরি করা যায়। Parent থেকে আপনি নতুন পেজটি যে পেজের সাব পেজ হিসেবে তৈরি করতে চান সে পেজটি সিলেক্ট করে দিন। আর যদি (no parent) দেখিয়ে দেন তাহলে এটি একটি সতন্ত্র পেজ হবে।
আপনার ব্লগে যদি একের অধিক পেজ থাকে তাহলে Order অপশনের মাধ্যমে আপনার নতুন পেজটি কত নাম্বারে অর্থাৎ কয়টা পেজের পর দেখাবে তা সিলেক্ট করে দিতে পারেন। এর মান শূন্য রাখলেও অসুবিধা নেই।

আজকের মত এতটুকু। আমরা প্রায় ওয়ার্ডপ্রেস.কম এর প্রধান কাজ গুলোর শেষ পর্যায়ে চলে এসেছি। আশা করি আর এক থেকে দুটি পোষ্টের ভিতরে ওয়ার্ডপ্রেস.কম এর সম্পূর্ন টিউটোরিয়াল সর্ম্পূন হয়ে যাবে। কোন সমস্যা হলে কমেন্ট করতে পারেন।
ধন্যবাদ।

ওয়ার্ডপ্রেস.কম টিউটোরিয়ালটি মোট ৯টি পোষ্ট এর সমন্বয়ে তৈরি করা হয়েছে। আপনাদের সুবিধার্থে টিউটোরিয়ালের সব পেজের লিঙ্ক নিচে দেয়া হলঃ

ওয়ার্ডপ্রেস.কম (WordPress.com) – টিউটোরিয়াল – ৫ – প্রোফাইল পরিবর্তন এবং এক্সট্রাস (Extras), হেডার (Header) ও থিম অপশনস (Theme Options) নিয়ে আলোচনা

আজকের টিউটোরিয়ালের আলোচ্য বিষয় নিজের প্রোফাইল পরিবর্তন করা এবং থিমের যে সব অপশন আছে সেগুলো নিয়ে একটু ঘাটাঘাটি করা। প্রথমে দেখা যাক প্রোফাইল কেমন করে পরিবর্তন করা যায়। প্রোফাইল পরির্তন করার জন্য প্রথমে আপনার ব্লগের ড্যাসবোর্ডে যেতে হবে। ড্যাসবোর্ডে যাওয়ার জন্য অ্যাড্রেসবারে আপনার ব্লগের নামের শেষে “/wp-admin/” যোগ করে এন্টার দিন যেমনঃ https://iwwintricks.wordpress.com/wp-admin/ । টিউটোরিয়ালের প্রত্যেক পোষ্টেই ড্যাসবোর্ডে যাওয়ার নিয়মটা দেখিয়ে দেই, যাতে ড্যাসবোর্ডে যাওয়ার নিয়মটা মুখস্থ হয়ে যায়। ড্যাসবোর্ড এলে এখানে বাম পাশের অপশন গুলো থেকে Users বিভাগ থেকে My Profile এ ক্লিক করুন।

তাহলে যে পেজ আসবে সেখানে থেকে আপনার প্রোফাইল প্রয়োজন মত আপডেট করে পেজের শেষের দিকে Update Profile বাটনে ক্লিক করুন।
তাহলে আপনার প্রোফাইল সেভ হয়ে যাবে। আপনি এখান থেকে প্রোফাইল পরিবর্তন না করে গ্র্যাভ্যাটর (Gravatar) থেকেও আপনার প্রোফাইল আপডেট করতে পারবেন। গ্র্যাভ্যাটর থেকে প্রোফাইল আপডেট করার সম্পূর্ন নিয়ম এখান থেকে দেখে আসতে পারেন।

এবার পরবর্তি আলোচনায় আসা যাক। নিচে এক্সট্রাস (Extras), হেডার (Header) ও থিম অপশনস (Theme Options) নিয়ে আলোচনা করা হল।

এক্সট্রাস (Extras)
এক্সট্রাস এ যাওয়ার জন্য ড্যাসবোর্ডের বামের অপশন গুলোর Appearance বিভাগ থেকে Extras এ ক্লিক করুন।

Extras পেজে দুটি অপশন দেখতে পাবেন সেগুলো হলঃ
1. Display a mobile theme when this blog is viewed with a mobile browser
2. Hide related links on this blog, which means this blog won’t show up on other blogs or get traffic that way
1 নং অপশনটা সিলেক্ট করলে আপনার ব্লগ কেউ মোবাইল থেকে ব্রাউজ করলে আপনার ব্লগটি মোবাইলে সয়ংক্রিয় একটি মোবাইল থিমে দেখানো হবে। এটা চালু রাখা উচিত।
2 নং অপশনটা সিলেক্ট না করা উচিত। কারন আপনার ব্লগের কোন পোষ্টের লিঙ্ক যদি অন্য কোন সাইটে দেয়া হয় এবং সেখান থেকে কোন ভিজিটর যদি সেই লিঙ্কে ক্লিক করে আপনার ব্লগে আসে তাহলে ঐ লিঙ্কটি আপনার ঐ পোষ্টের নিচে দেখা যাবে। এতে যে আপনার ব্লগের লিঙ্ক তার সাইটে দিয়ে আপনার ট্রাফিক বাড়িয়েছে তার লিঙ্কটিও আপনার সাইটে সয়ংক্রিয় যোগ হবে। 2 নং অপশনটা সিলেক্ট করলে এই লিঙ্ক গুলো আর পোষ্টের নিচে দেখাবে না। ট্রাফিক বাড়ানোর জন্য এটা চালু রাখা উচিত।

হেডার (Header)
হেডার বলতে ওয়েব সাইটের উপরের অংশে যেখানে ব্লগের নাম দেখা যায় সে যায়গাটিকে বা অংশটিকে বঝানো হয়। হেডার পেজে যাওয়ার জন্য ড্যাসবোর্ডের বামের অপশন গুলোর Appearance বিভাগ থেকে Header এ ক্লিক করুন।

হেডার পেজে হেডারে পিকচার যোগ করা, হেডারে ব্লগের যে নামটি দেখায় তার রং পরিবর্তন এবং নামটি হাইড করার অপশন পাবেন।
হেডারে পিকচার যোগ করতে Upload Image অংশ থেকে Browse এ ক্লিক করে আপনার কম্পিউটার থেকে একটি ইমেজ সিলেক্ট করে Upload বাটনে ক্লিক করুন। পিকচারের সাইজ কত পিক্সেল হবে তা Browse বাটনের উপরের লেখা গুলোর মধ্যে গাড় করে লেখা থাকে। যেমন নিচের পিকচারে দেয়া আছে 980 x 148 pixels. একেক থিমে একেক ধরনের পিকচার সাইজ দেয়া থাকে।
হেডারের পিকচারটি মুছে ফেলার জন্য Remove Header Image বাটনে ক্লিক করতে পারেন। শুরুতে আপনার থিমে যে ইমেজ দেয়া ছিল তা ফিরিয়ে আনতে Restore Original Header Image বাটনে ক্লিক করতে হবে।

হেডারে ব্লগের নামটির রং পরিবর্তন করতে Text Color এর পাশের Select a Color বাটনে ক্লিক করে রং সিলেক্ট করে দিতে পারেন। আর হেডারে ব্লগের নামটি হাইড করে রাখতে চাইলে Display Text এর পাশে থেকে No রেডিও বাটন সিলেক্ট করে দিন। আর হেডারের নামটি দেখাতে চাইল Yes রেডিও বাটনটি সিলেক্ট করে দিন। সব সেটিং করা হলে Save Changes বাটনে ক্লিক করুন।

থিম অপশনস (Theme Options)
থিম অপশন পেজে যাওয়ার জন্য ড্যাসবোর্ডের বামের অপশন গুলোর Appearance বিভাগ থেকে Theme Options এ ক্লিক করুন।

থিম অপশনস পেজ এলে তাতে তিনটি অপশন দেখতে পাবেন।
১. Default Layout থেকে আপনার ব্লগটির উপাদান গুলো কিভাবে থাকবে তা সিলেক্ট করে দিতে পারবেন।
২. Layout Width থেকে Fixed সিলেক্ট করলে আপনার পেজটি লোড করলে সব ভিজিটরের মনিটরে নির্দিষ্ট মাপে লোড হবে। আর flexible সিলেক্ট করলে আপনার পেজটি মনিটরের সাইজ অনুজায়ী পেজের Width অর্থাৎ পেজের প্রস্থ পরিবর্তন হয়ে ব্রাউজারের সম্পূর্ন প্রস্থ জুড়ে হবে। এখানে Fixed সিলেক্ট রাখা উচিত।
৩. Display Full Post Or Excerpt থেকে Full Post সিলেক্ট করলে আপনার ব্লগের হোম পেজে আপনার পোষ্ট গুলো সম্পূর্ন দেখাবে। আর Excerpt সিলেক্ট করলে আপনার ব্লগের হোম পেজে আপনার পোষ্ট গুলোর শুরুর একটু করে অংশ দেখাবে এবং সম্পূর্ন পোষ্ট পড়তে ভিজিটরকে ঐ পোষ্টটির টাইটেলে ক্লিক করে ঐ পোষ্টের পেজে গিয়ে সম্পূর্ন পোষ্ট পড়তে হবে। এখনে Excerpt সিলেক্ট করা ভাল।

সব কাজ শেষ হলে Save Options বাটনে ক্লিক করতে ভুলবেন না।
আজ এ পর্যন্তই। সামনে ওয়ার্ডপ্রেস.কম এর বাকী অপশন গুলো নিয়ে আবার হাজির হব। আজকের মত বিদায়। কোন সমস্যা হলে অবশ্যই কমেন্ট করবেন।
ধন্যবাদ।

ওয়ার্ডপ্রেস.কম টিউটোরিয়ালটি মোট ৯টি পোষ্ট এর সমন্বয়ে তৈরি করা হয়েছে। আপনাদের সুবিধার্থে টিউটোরিয়ালের সব পেজের লিঙ্ক নিচে দেয়া হলঃ

ওয়ার্ডপ্রেস.কম (WordPress.com) – টিউটোরিয়াল – ৪ – থিম পরিবর্তন করা এবং উইজেট (Widget) যোগ করা

ওয়ার্ডপ্রেস.কম এর আজকের টিউটোরিয়ালে দেখাবো কিভাবে থিম পরিবর্তন করতে হয় এবং সাইটে উইজেট যোগ করা যায়। ওয়ার্ডপ্রেস.কম এর একটি সীমাবদ্ধতা হল এতে বাইরে থেকে থিম যোগ করা যায় না। তবে এতে ১০০+ দারুন কিছু থিম আছে। যেগুলো থেকে আপনি পছন্দ মত থিম সিলেক্ট করে দিতে পারেন। থিম সিলেক্ট করার জন্য প্রথমে আপনার ব্লগের ড্যাসবোর্ডে যেতে হবে। ড্যাসবোর্ডে যাওয়ার জন্য অ্যাড্রেসবারে আপনার ব্লগের নামের শেষে “/wp-admin/” যোগ করে এন্টার দিন যেমনঃ https://iwwintricks.wordpress.com/wp-admin/
এবার বামে নিচের দিকে থেকে Appearance এর পাশে তীর চিহ্ন (^) টিতে ক্লিক করুন। এবার এর সাব মেনু থেকে Themes এ ক্লিক করুন।

এবার যে পেজটি আসবে সেখানে র‍্যানডম ভাবে সিলেক্ট করা ১৫ টি থিম দেখাবে। এগুলোর থেকে পছন্দ না হলে Refresh বাটনে ক্লিক করুন। প্রত্যেক থিমের পিকচারের নিচে Activate এবং Preview নামে দুটি অপশন থাকে।

Activate এ ক্লিক করলে ঐ থীমটি অ্যাকটিভ হবে এবং Preview এ ক্লিক করলে ঐ থীমটিতে আপনার ব্লগ দেখতে কেমন লাগবে তা দেখা যাবে।

থীম সিলেক্টের কাজ মোটামুটি এতটুকুই। এবার দেখা যাক উইজেট যোগ করার নিয়ম।
উইজেট পেজে যাওয়ার জন্য Appearance ভাগ থেকে Widgets এ ক্লিক করুন।

তাহলে যে পেজটি আসবে সেখানে নিচের মত পাচটি ভাগ দেখতে পাবেন। প্রত্যেক ভাগে কাজ করার জন্য তার পাশের তীর চিহ্নতে ক্লিক করতে হবে।

এখান Available Widgets ভাগে মোট উইজেট গুলো দেখতে পাবেন। অনেক থীমে উইজেটের জন্য ডানে বা বামে দুটি ভাগ থাকে, প্রথমটিকে Primary Widget Area এবং অপরটিকে Secondary Widget Area বলা হয়। আর শুধু একটি ভাগ থাকলে তা হবে Primary Widget Area এবং পেজের নিচের উইজেট বারকে Footer Widget Area বলে। আপনার যে উইজেট লাগবে সেটি Available Widgets থেকে ড্র্যাগ করে আপনার ইচ্ছে মত অংশে (যেমন Primary Widget Area অংশে) ড্রপ করুন।

Available Widgets এ যে সব উইজেট থাকে সেগুলোর নাম এবং প্রয়োজনীয় উইজেট গুলোর একটু করে বর্ননা দেয়া হলঃ

Blog Subscriptions – আপনার ব্লগের ইমেইল সাবক্রাইব করার অপশন এতে দেয়া থাকে।
Blog Stats – আপনার ব্লগটি কতবার ভিজিট হয়েছে তা দেখার জন্য এটি ব্যবহার করতে পারেন। একে Hit Counter হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
Box.net file sharing
Calender – ব্লগে ক্যলেন্ডার দেখানোর জন্য।
Categories – ব্লগের ক্যাটাগরি দেখানোর জন্য।
Category Cloud – আপনার ব্লগের ক্যাটাগরি গুলো Cloud অর্থাৎ মেঘের মত দেখতে পাবেন।
Custom Menu
del.icio.us
Flickr
Gravatar – আপনার Gravatar এর অ্যাভাটার পিকচার দেখা যাবে। এতে মাউস পয়েন্টার রাখলে আপনার Gravatar প্রোফাইল দেখা যাবে।
Image – এর মাধ্যমে আপনি ব্লগে নির্দিষ্ট কোন পিকচার দেখাতে পারবেন এবং লিঙ্কও যোগ করতে পারবেন।
Links
Meta
Pages – আপনার সব পেজ দেখাবে।
Recent Comments – আপনার ব্লগে সর্বশেষ কমেন্ট গুলো দেখাবে।
Recent Posts – আপনার ব্লগে সর্বশেষ পোষ্ট গুলো দেখাবে।
RSS
RSS Links
Search – আপনার ব্লগে সার্চ করার অপশন দেয়ার জন্য এটি ব্যবহার করতে পারেন।
Text – কোন লেখা দেখানোর জন্য এটি ব্যবহার করা হয়।
Top Clicks – সব চেয়ে বেশী যে সব লিঙ্কে ক্লিক করা হয়েছে তার লিস্ট দেখাবে।
Top Posts & Pages – টপ পোষ্ট এবং পেজ গুলো দেখাবে।
Top Rated
Twitter – আপনার টুইটারের টুইট গুলো দেখাবে।
Vodpod Videos

নিচে কয়েকটি উইজেটের সেটিং এর নমুনা দেয়া হলঃ





আশা করি নমুনা গুলো দেখে উইজেটের সেটিং সম্পর্কে মোটামুটি ধারনা হয়েছে। তারপরও কোন সমস্যা হলে দয়া করে কমেন্ট করবেন।
ধন্যবাদ।

ওয়ার্ডপ্রেস.কম টিউটোরিয়ালটি মোট ৯টি পোষ্ট এর সমন্বয়ে তৈরি করা হয়েছে। আপনাদের সুবিধার্থে টিউটোরিয়ালের সব পেজের লিঙ্ক নিচে দেয়া হলঃ

ওয়ার্ডপ্রেস.কম (WordPress.com) – টিউটোরিয়াল – ৩ – নতুন পোষ্ট করা (বিস্তারিত)

সবাই কেমন আছেন? আশা করি ভাল। আজকের পর্বে দেখাব ওয়ার্ডপ্রেসে.কম এ কিভাবে নতুন পোষ্ট করতে হয়। এর জন্য প্রথমে আপনার ব্লগের ড্যাশবোর্ডে যেতে হবে। ড্যাশবোর্ডে যাওয়ার জন্য অ্যাড্রেসবারে আপনার ব্লগের নামের শেষে “/wp-admin/” যোগ করে এন্টার দিন যেমনঃ https://iwwintricks.wordpress.com/wp-admin/ । তারপর যে পেজটি আসবে সেখানে ডান পাশে উপরে New Post নামে একটি বাটন আছে সেখানে ক্লিক করতে হবে।

তাহলে নতুন পোষ্ট করার জন্য একটি পেজ আসবে। সে পেজের প্রায় প্রত্যেকটি জিনিস নিয়ে নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হল।

টাইটেল
পেজের শুরুতে নিচের মত একটি বক্স দেখা যাবে এখানে আপনার পোষ্টের টাইটেল লিখে দিতে হবে।

পোষ্ট লেখা

HTML অংশ
এর পরেই নিচের মত একটি বক্স দেখা যাবে। এখানে আপনার পোষ্টটি লিখতে হবে। একটি পোষ্ট করতে প্রধানত যে গুলো লাগে আমি শুধু সেগুলোর বর্ণনা দেব।

উপরের বক্সটির দুটি ভাগ আছে। একটি হল Visual এবং আরেকটি হল HTML । আপনার পোষ্ট লিখতে হবে HTML ভাগে এবং পোস্টটি দেখতে কেমন হবে তা দেখতে পাবেন Visual অংশে। Visual অংশেও পোষ্ট লেখা যায় তবে HTML অংশে লিখলে ভাল। এখন পোষ্ট লিখার জন্য প্রথমে HTML লেখাটিতে ক্লিক করুন। এবার ফাকা বক্সটিতে আপনি কি লিখতে চান লিখুন। বক্সের উপরে কিছু বাটন আছে এগুলোর মধ্যে প্রয়োজনীয় বাটন গুলোর কাজ নিচে দেয়া হল।
b – কোন লেখা সিলেক্ট করে এতে ক্লিক করলে লেখাটি বোল্ড (Bold) হবে।
I – কোন লেখা সিলেক্ট করে এতে ক্লিক করলে লেখাটি ইটালিক (Italic) অর্থাৎ বাকা হবে।
b-quote – কোন লেখা নিচের মত করতে চাইলে সে লেখাটি ক্লিক করে এ বাটনে ক্লিক করুন।

বাংলাদেশ

del – কোন লেখা এভাবে কেটে দিতে লেখাটি সিলেক্ট করে এ বাটনে ক্লিক করতে হবে।
img – আপনি যদি আপনার পোস্টে এমন ছবি দিতে চান যে পিকচারটি কোথাও আপলোড করা আছে তখন আপনি এ বাটনটি ক্লিক করে আপনার ঐ পিচারটির ঠিকানা লিখে OK তে ক্লিক করলে ঐ ছবিটি আপনার পোষ্টে যুক্ত হবে।
ul – আপনি যদি আপনার লেখাকে নিচের মত সাজাতে চান তাহলে লেখাটি সিলেক্ট করে এ বাটনে ক্লিক করুন।

    বাংলাদেশ

ol – আপনি যদি আপনার লেখাকে নিচের মত সাজাতে চান তাহলে লেখাটি সিলেক্ট করে এ বাটনে ক্লিক করুন।

    বাংলাদেশ

li – আপনি আপনার লেখাকে নিচের মত সাজাতে চান তাহলে লেখাটি সিলেক্ট করে এ বাটনে ক্লিক করুন।

  • বাংলাদেশ
  • code – আপনি আপনার লেখাকে নিচের মত সাজাতে চান তাহলে লেখাটি সিলেক্ট করে এ বাটনে ক্লিক করুন।
    বাংলাদেশ
    proofread – আপনার পোষ্ট যদি ইংরেজী হয় তাহলে আপনি এ বাটনে ক্লিক করে আপনার লেখাকে চেক করতে পারবেন। অর্থাৎ এটি হচ্ছে স্পেল চেকার।
    lookup – আপনি যদি কোন কিছু সম্পর্ক বিস্তারিত জানতে ইচ্ছে করে তাহলে ঐ শব্দটি সিলেক্ট করে এ বাটনে ক্লিক করুন। তাহলে ঐ জিনিস সম্পর্কে সব তথ্য আপনাকে দেখানো হবে। এটি শুধু ইংরেজী শব্দ সাপোর্ট করে। মোটামুটি এ বাটন গুলোই পোষ্ট তৈরি তে লাগবে।

    পিকচার আপলোড
    এবার দেখাব কিভাবে ছবি কম্পিউটার থেকে আপলোড করতে হয়। আপনার পোষ্টে ছবি ছাড়াও ভিডিও, শব্দ, ডকুমেন্ট ও jpg, jpeg, png, gif, pdf, doc, ppt, odt, pptx, docx, pps, ppsx, xls, xlsx ইত্যাদি ফাইল যুক্তি করতে পারবেন। সব গুলো আপলোড করা একই রকম। তাই আমি শুধু পিকচার আপলোড করা দেখাচ্ছি।
    পিকচার আপলোড করতে পোষ্ট লেখার বক্সের উপরে Upload/Insert এর পাশ থেকে এ চিহ্নটিতে ক্লিক করুন। তাহলে নিচের মত একটি উইন্ডো আসবে। Upload/Insert এর পাশে প্রথম বাটনটি পিকচারের জন্য এবং পরের গুলো যথাক্রমে ভিডিও, শব্দ, মিডিয়া ও পোল যোগ করার কাজে ব্যবহার করা হয়।

    এখানে Browse বাটনে ক্লিক করে কম্পিউটার থেকে আপনার ফাইলটি সিলেক্ট করে Open এ ক্লিক করুন। তারপর Upload বাটনে ক্লিক করুন। উপরের ছবিতে 4.2 MB used, 3.0 GB (99.9%) এর অর্থ হল আপনার জন্য বরাদ্দ করা ৩ গিগার মধ্যে ৪.২ মেগাবাইট ব্যবহার করা হয়েছে যা ৩ গিগাবাইটের ৯৯.৯ ভাগ। উপরের চিত্রে From URL এবং Media Library নামে আরো দুটি ট্যাব আছে। From URL ট্যাবে গিয়ে আপনি অন্য কোথাও আপলোড করেছেন এরকম ফাইল এখানে আপলোড করতে পারবেন। এর জন্য ঐ ফাইলে ঠিকানা বা URL টি লাগবে। আর Media Library তে আপনি বর্তমান পোষ্ট যত গুলো ফাইল আপলোড করেছেন সব গুলো দেখতে পাবেন। ফাইল আপলোড হয়ে গেলে বক্সের ভিতর নিচের পেজটি আসবে।

    এখানে আপনি আপনার ছবির ক্যাপশন দিতে পারেন। পিকচারের ক্যাপশন Caption বক্সে লিখতে হবে। আপনি চাইলে Alignment থেকে আপনি ছবিটিকে বামে (Left) ,ডানে (Right), মধ্যখানে (Center) বা কোথাও না (None) যে কোন একটি দেখিয়ে দিতে পারেন। Size থেকে আপনি আপনার পিকচারটির সাইজ ঠিক করে দিতে পারবেন। সব ঠিক করা শেষ হলে Insert into Post এ ক্লিক করলে ছবিটি আপনার পোষ্টে যুক্ত হবে।

    Visual অংশ
    এবার Visual অংশের কাজ দেখা যাক। আগেই বলেই Visual অংশে আপনার পোষ্টটি কেমন দেখাবে তা দেখতে পারবেন।

    এ অংশের কাজ সবার পারার কথা। কারন এখনে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের মত লেখার জন্য প্রয়োজনীয় টুল আছে। আর প্রায় সবাই কম-বেশী ওয়ার্ডের কাজ পারি। তাই এগুলো বর্ণনা দিলাম না। তবে প্রয়োজন হলে কমেন্টে বলতে পারেন। উপরের চিত্রে দুটি লাইনে টুল দেখতে পাচ্ছেন। শুরুতে একটি লাইনে টুল বক্স থাকবে। ২য় লাইনটি আনতে চিত্রে কালো করে দেয়া বাটনে ক্লিক করতে হবে। পোষ্টের প্রধান কাজ শেষ এখন অতিরিক্ত যে সব কাজ করতে হয় সেগুলো দেখাব।
    পোষ্ট বক্সের নিচে তিনটি বক্স আছে এগুলো হল Discussion, Author এবং Likes and Shares ।

    Discussion
    Discussion বক্সের প্রথম টিক চিহ্নটি অর্থাৎ Allow comments নামে টিক চিহ্নটি উঠিয়ে দিলে আপনার পোষ্টে কেউ মন্তব্য করতে পারবেনা। আপনি কোন পোস্টে মন্তব্য দেখতে না চাইলে Discussion বক্সের ভিতরে প্রথম টিক চিহ্নটি উঠিয়ে দিন।
    Author
    প্রায় সব ব্লগে একটি সুবিধা দেয়া থাকে। তা হলো একাধিক ব্যাক্তি এক ব্লগে লিখতে পারবে। আপনার ব্লগে যদি একাধিক লেখক থাকে তাহলে Author বক্স থেকে আপনি সিলেক্ট করে দিতে পারবেন আপনি কোন লেখক। একাধিক লেখক যোগ করার নিয়ম পরের অন্য কোন ওয়ার্ডপ্রেস.কম টিউটোরিয়ালে আলোচনা করা হবে।
    Likes and Shares
    ওয়ার্ডপ্রেস.কম এ পোস্ট করলে পোষ্টের নিচে শেয়ার বাটন যোগ করা যায়। আপনার পোষ্টে শেয়ার বাটন থাকবে কি থাকবে না তা Likes and Shares বক্স থেকে দেখিয়ে দিতে পারবেন। পোষ্টে শেয়ার বাটন যোগ করতে চাইলে বক্সটির ভিতরের দুটি চেক বক্সে টিক দিতে হবে। সাধারনত এ সুবিধাটি চালু নাও থাকতে পারে। চালু না থাকলে পরের টিউটোরিয়ালে লক্ষ রাখুন। পরের অন্য কোন ওয়ার্ডপ্রেস.কম টিউটোরিয়ালে এ নিয়ে আলোচনা করা হবে।

    Publish
    এবার পোষ্টের ডান পাশে যে বক্স গুলো আছে সেগুলোতে আসি। ডান পাশে প্রথমে Publish নামে একটি বক্স আছে। এখানের Save Draft বাটনে ক্লিক করলে আপনার পোষ্টটি ড্রাফট হিসেবে সেভ হবে, Preview বাটনে ক্লিক করলে আপনার পোষ্ট পাবলিশ করলে কেমন দেখাবে তা দেখতে পাবেন এবং Publish বাটনে ক্লিক করলে আপনার পোষ্টটি পাবলিশ হবে। এখানে আরো কিছু অপশন আছে। সেগুলো হল Status, Visibility, Publish এবং Publicize ।

    আপনার অপশন গুলো পরিবর্তন করতে চাইলে অপশন গুলোর পাশে যে Edit লেখা আছে সেগুলোতে ক্লিক করতে হবে।

    আপনি Status এর Edit এ ক্লিক করলে একটি ড্রপ ডাউন বক্স দেখতে পাবেন সেখানে দুটি আপশন আছে। সেগুলো হল Draft এবং Pending Review । Draft এ সিলেক্ট থাকলে এটি সয়ংক্রিয় ড্রাফটে সেভ হবে এবং Pending Review সিলেক্ট করলে এটি সম্ভবত আপনার ব্লগের অন্য লেখকদের Review এর জন্য সেভ হবে। যে কোন সেটিং পরিবর্তন করে অবশ্যই OK তে ক্লিক করতে হবে।
    Visibility এর Edit এ ক্লিক করলে কিকি অপশন আসবে তা উপরের চিত্র দেখে নিতে পারেন। Public সিলেক্ট করলে আপনার পোষ্টটি সবাই দেখতে পারবে। Stick this to the front page চেক বক্সটিতে টিক দিলে আপনার পোষ্টটি স্টিকি পোষ্ট হিসেবে সিলেক্ট হবে অর্থাৎ সব পোষ্টের উপরে এবং প্রথম পেজে এ পোষ্টটি সব সময় দেখা যাবে। পরে এটি অনচেক করলে আর স্টিকি পোষ্ট হিসেবে দেখাবে না। Password protected সিলেক্ট করে আপনার পোষ্টটিকে পাসওয়ার্ড প্রোটেক্ট করা যাবে এবং তখন শুধু মাত্র পাসওয়ার্ড দিলেই পোষ্টটি দেখা যাবে। Private সিলেক্ট করলে পোষ্টটি শুধু আপনি নিজেই দেখতে পারবেন।
    Publish অপশনে আপনি আপনার পোষ্টটির পোষ্ট হওয়ার তারিখ ও সময় পরিবর্তন করতে পারবেন।
    উপরের চিত্রে আরেকটি অপশন দেখতে পাচ্ছেন, তার নাম Publicize । এটির ব্যবহার পরের কোন ওয়ার্ডপ্রেস.কম টিউটোরিয়ালে আলোচনা করা হবে। কারন শুরুতে আপনি এ অপশনটি পাবেন না।
    Publish বাটনটি দিয়ে আপনি আপনার পোষ্টটি পাবলিশ করতে পারবেন। এর পাশে Move to Trash এ ক্লিক করে আপনার পোষ্টটি ট্র্যাশে মুভ করতে অর্থাৎ মুছে দিতে পারবেন। Trash কে আপনি Recycle Bin এর সাথে তুলনা করতে পারেন। আপনি কোন পোষ্ট বা কমেন্ট ডিলিট করলে Trash এ জমা হবে। আপনি চাইলে ট্র্যাশ থেকে পরে জমা হওয়া পোষ্ট এবং কমেন্ট মুছে দিতে পারেন।

    Categories
    Publish বক্সের পরেই যে বক্সটি দেখতে পাবেন তার নাম Categories । এখানে আপনি আপনার পোষ্টটি কোন বিভাগে রাখবেন তা দেখিয়ে দিতে পারবেন। আর শুরুতে শুধু একটি বিভাগ থাকবে। আপনাকে অন্য বিভাগ তৈরি করতে হবে। নতুন বিভাগ তৈরি করার জন্য Add New Category তে ক্লিক করুন।

    তাহলে নিচের মত একটা বক্স আসবে। সেখানে নতুন বিভাগের নাম লিখে Add New Category বাটনে ক্লিক করুন। এভাবে যত ইচ্ছা বিভাগ তৈরি করে নিতে পারেন। তারপর আপনার পোষ্টটি যে বিভাগে হবে সে বিভাগটির পাশে টিক চিহ্ন দিয়ে দেখিয়ে দিতে হবে।

    Post Tags
    Categories বক্সের পরে আছে Post Tags বক্স পাবেন। এখানে আপনার পোষ্টের ট্যাগ গুলো লিখতে হবে। ট্যাগ হল কিছু শব্দ যা দিয়ে যে কেউ সহজে আপনার পোষ্টটি খুজে পাবে এবং এতে কি কি আছে তা জানতে পারবে এবং একে বলা যায় আপনার পোষ্টের সারমর্ম। আপনি আমার এ পোষ্টটির ট্যাগ দেখলে আশা করি একটু ধারনা পাবেন।
    Add New Tag বক্সে ট্যাগ লিখতে হবে এবং প্রতিটি ট্যাগ লিখে একটা করে কমা ( , ) দিতে হবে তারপর Add এ ক্লিক করলেই ট্যাগ গুলো যোগ হবে।

    আর আপনি কোন ট্যাগ মুছতে চাইলে ঐ ট্যাগের পাশে একটি ক্রস চিহ্ন পাবেন সেখানে ক্লিক করলেই সে ট্যাগটি মুছে যাবে।

    মোটামুটি নতুন পোষ্ট করার জন্য এগুলো দরকার হয়। আর কোন কিছু জানার থাকলে কমেন্টে বলতে পারেন। আজ এতটুকুই। ভাল লাগলে কমেন্ট করবেন।

    ওয়ার্ডপ্রেস.কম টিউটোরিয়ালটি মোট ৯টি পোষ্ট এর সমন্বয়ে তৈরি করা হয়েছে। আপনাদের সুবিধার্থে টিউটোরিয়ালের সব পেজের লিঙ্ক নিচে দেয়া হলঃ

    ওয়ার্ডপ্রেস.কম (WordPress.com) – টিউটোরিয়াল – ২ – ব্লগার থেকে ওয়ার্ডপ্রেসে ব্লগ স্থানান্তর করা

    ওয়ার্ডপ্রেস.কম টিউটোরিয়ালে আজকে স্বাগতম। কথা না বাড়িয়ে আজকে পোষ্ট শুরু করি। আপনার যদি আগে ব্লগারে কোন ব্লগ থাকে তা আপনি ওয়ার্ডপ্রেসে স্থানান্তরিত করতে পারেন সহজ কয়েকটি ধাপের মাধ্যমে। ধাপ গুলো নিচে দেয়া হল।

    প্রথমে আপনার ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগের ড্যাশবোর্ডে গিয়ে বামে নিচের দিকে Tools থেকে Import এ ক্লিক করতে হবে।

    তারপর যে পেজ আসবে সেখান থেকে Blogger এ ক্লিক করুন।
    এবার ব্লগারে লগইন করতে হবে। তারপর একটি পেজ আসবে সেখানে নিচের মত দুটি বাটন দেখতে পাবেন। সেখান থেকে Grant access এ ক্লিক করুন।
    তাহলে নিচের মত একটি পেজ আসবে। সেখান থেকে আপনার ব্লগের নামের পাশে Import নামে যে বাটন দেখতে পাবেন তাতে ক্লিক করলেই ওয়ার্ডপ্রেস আপনার আগের ব্লগ থেকে সব পোষ্ট এবং কমেন্ট ওয়ার্ডপ্রেসে স্থানান্তরিত করবে।

    এ পদ্ধতি ছাড়াও আরো অনেক ভাবে ব্লগ স্থানান্তরিত করা যায়। তবে এটি সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি। আজ এ পর্যন্তই। ভালো লাগলে কমেন্ট করবেন।

    ওয়ার্ডপ্রেস.কম টিউটোরিয়ালটি মোট ৯টি পোষ্ট এর সমন্বয়ে তৈরি করা হয়েছে। আপনাদের সুবিধার্থে টিউটোরিয়ালের সব পেজের লিঙ্ক নিচে দেয়া হলঃ