জনপ্রিয় DU Meter এর বিকল্প এবং সম্পূর্ন ফ্রি সফট Net Speed Monitor

বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম

সবাই কেমন আছেন? আশা করছি ভাল। ইন্টারনেট স্পিড মনিটর করার জন্য আমরা যে সফটওয়্যার ব্যবহার করি সে গুলোকে ব্যান্ডউইথ মনিটর (Bandwidth Monitor) সফটওয়্যার বলে। ব্যান্ডউইথ মনিটর সফটওয়্যার গুলোর ভিতরে সবচেয়ে জনপ্রিয় হচ্ছে DU Meter. কিন্তু এটি ফ্রি নয়। তাই এটির পাইরেটেড ভার্সন আমাদের ব্যাবহার করতে হয়। যদিও তারা তাদের সফট বাংলাদেশে কেনার সুযোগ দিয়েছে।

কিন্তু এর বিকল্প এবং ফ্রি যদি কোন সফট পাওয়া যায় তাহলে টাকা খরচ করে বা পাইরেটেড জিনিস ব্যবহার করবেন কেন?

হ্যাঁ এর বিকল্প এবং ফ্রি সফটওয়্যার হল Net Speed Monitor. DU Meter এর প্রায় সব সুবিধাই এতে পাবেন। এর ব্যবহারও খুবই সোজা। আজ এই ফ্রি সফটওয়্যারটিই আপনাদের সাথে পরিচয় করিয়ে দেব। তাহলে চলুন শুরু করা যাক।

Net Speed Monitor এর ডাউনলোড লিঙ্কঃ

Net Speed Monitor ডাউনলোড

Net Speed Monitor ডাউনলোড

সাপোর্টেড অপারেটিং সিস্টেমঃ

এটি Windows Xp, Vista, 7, 8 ইত্যাদি সব উইন্ডোজই সাপোর্ট করে।

বিঃ দ্রঃ উইন্ডোজ ৮ এ এটি সেটআপে সমস্যা করলে সেটআপ ফাইলে রাইট ক্লিক করে Propertise এ ক্লিক করুন; তারপর Compatibility ট্যাবে গিয়ে Compatibility mode থেকে Run this program in compativility mode for: এ টিক দিয়ে Previous version of Windows সিলেক্ট করে OK ক্লিক করে বের হয়ে আসুন এবং তারপর সেটআপ করুন। তাহলেই আর কোন সমস্যা হবে না।

স্ক্রিনসটঃ

Net Speed Monitor এর টাস্কবার রূপ

উপরের মত Net Speed Monitor এর টাস্কবার স্ক্রিন চালু করতে Net Speed Monitor ইনস্টল করে টাস্কবারে রাইট ক্লিক করে Toolbars > NetSpeedMonitor এ ক্লিক করুন। তাহলেই Net Speed Monitor এর টাস্কবার স্ক্রিনটি টাস্কবারে দেখতে পাবেন।

Net Speed Monitor কাস্টমাইজ/সেটিং করতে টাস্কবার থেকে Net Speed Monitor এর স্ক্রিনের উপর রাইট ক্লিক করে Configuration এ ক্লিক করুন। তাহলে Configuration উইন্ডো চালু হবে। যেখান থেকে আপনি Net Speed Monitor কাস্টমাইজ করতে পারবেন।

আমি উপরে Net Speed Monitor এর টাস্কবার স্ক্রিনের যে স্ক্রিনসটটি দিয়েছি আপনি শুরুতে সেরকম দেখবেন না। কারন কিছু সেটিং পরিবর্তন করার পর স্ক্রিনসটটি নেয়া। আমার পছন্দের সেই সেটিং গুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করছি। আশা করি এগুলো কাজে লাগবে।

Net Speed Monitor কাস্টমাইজ করতে প্রথমে Configuration চালু করুন। তারপর General ট্যাব থেকে Bitrate থেকে kB/s দেখিয়ে দিন।

এবার Layout ট্যাব থেকে Font গ্রুপ থেকে antialiased থেকে ClearType দেখিয়ে দিন, Change Lineorder এ টিক চিহ্ন দিন এবং Value Width থেকে 4 সিলেক্ট করে দিন।

আপনি Net Speed Monitor এর টাস্কবার স্ক্রিনে মাউস পয়েন্টার রাখলে নিচের মত টুলটিপস্ দেখতে পাবেন।

এটি বন্ধ করতে চাইলে Tooltips ট্যাবে গিয়ে Enable Toolbar Tooltip থেকে টিক চিহ্ন উঠিয়ে দিন। কাজ শেষ; এবার Apply এবং OK দিয়ে বের হয়ে আসুন।

আশা করি সফটওয়্যারটি আপনাদের কাজে লাগবে।

পোষ্টটি ভাল লাগলে কমেন্ট ও শেয়ার করতে ভুলবেন না যেন!

আজ এ পর্যন্তই। আল্লাহ হাফেজ।

গেমের সর্বোচ্চ গতি পেতে ব্যবহার করুন গেম বুষ্টার (লিমিট সময়ের জন্য ডাউনলোড একদম ফ্রি)

বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম

সবাই আশা করি ভাল আছেন। আজ গেম সম্পর্কিত একটি সফট নিয়ে কথা বলব। শুরু করা যাক।

আপনি নরমাল ব্যবহারকারী হন বা অ্যাবনরমাল ( ;)) ব্যবহারকারী হন কম-বেশী গেম খেলেন না এরকম ব্যক্তি খুব কমই আছে। কিন্তু আমাদের সামর্থ না থাকার কারনে হয়ত আমরা গেমিং পিসি কিনতে পারি না। তবে মাঝারি মানের পিসি গুলোতে বর্তমানে মোটামুটি হালকা পাতলা গেম খেলার মত গ্রাফিক্স দেয়া থাকে। হার্ড কোর গেম না চললেও মোটামুটি কম রিকোয়ারমেন্টের গেম সেগুলো অনেক কষ্টে চালাতে পারে। এরকম ব্যবহারকরীদের জন্যই মূলত তৈরি হয়েছে গেম বুষ্টার (Game Booster) সফটটি। যা এই লো পারফরমেন্সের পিসির পারফরমেন্স গেম খেলার সময় আরো বাড়িয়ে দেবে। তবে যাদের গেমের জন্য আলাদা গ্রাফিক্স কার্ড আছে বা গেমিং পিসি আছে তারাও তাদের গেমের পারফর্মেন্স আরো বাড়াতে পারেন এই সফট দিয়ে।

এই সফটটি তৈরি করেছে IObit সফট কোম্পানি। আমার যতটুকু মনে আছে তারা এটির প্রথম ভার্সন ফ্রিতে ছেড়ে দিয়েছিল। ২য় ভার্সনে মূল্য যোগ করেছে। আবার কি কারনে ৩য় ভার্সনে গেম বুস্টার আবার ফ্রি করে দিয়েছে। আর এ ফ্রি এ মাসের (জুন ২০১২) এর পর আর থাকছে না। তাই আপনার ফ্রি কপিটি আজই সংগ্রহ করবেন না কেন! 😉

ডাউনলোড করার আগে এটির ব্যবহার, কিভাবে এবং কেমনে কাজ করে তা দেখা যাক।

সফটওয়্যারটির ডাউনলোড লিঙ্ক একবারে পোষ্টের নিচে দিয়েছি। কি আছে এতে তা না জেনে কেন শুধু শুধু ডাউনলোড করে ব্যান্ডউইথ নষ্ট করবেন 😉

গেম বুষ্টার সফটটা ডাউনলোড করে ইনস্টল করলে ডেস্কটপে নিচে মত দুটো সর্টকাট তৈরি হবেঃ

এখান থেকে Game booster 3 লেখা সর্টকাট দিয়ে সফটটি চালু করলে নিচের উইন্ডোটি আসবে। এটি এর প্রধান উইন্ডো বলা যায়। তবে এটি আসলে এ সফটটের GameBox উইন্ডো। এ উইন্ডোর কাজ দেখা যাক।

চিত্রের নাম্বারের সাথে বিভিন্ন অংশের কাজ মিলিয়ে পড়ুনঃ

1. আপনার পিসির গেম গুলো Add+ বাটন দিয়ে GameBox এ যুক্ত করতে পারবেন। ফলে এখান থেকেই সব গেম চালু করতে পারবেন। সব গেমের সর্টকাট একসাথে রাখা আরকি! Add+ এ ক্লিক করে আপনার গেমটির .exe (যে ফাইলটি দিয়ে সাধারনত গেম চালু করা হয়) ফাইল দেখিয়ে দিলেই এখানে গেমের সর্টকাটটি চলে আসবে।

2. গেমের সর্টকাট যোগ করে যে গেম খেলবেন তার সর্টকাট সিলেক্ট করে Boost & Launch এ ক্লিক করলেই গেম বুষ্টার এক্টিভ হবে এবং একই সাথে গেমটি চালু হবে।

3. আপনি Switch to Boost এ ক্লিক করে সরাসরি বুষ্ট বাটন উইন্ডোতে যেতে পারবেন। বুষ্ট বাটন উইন্ডোতে Start Boost লেখা নিচের মত একটি বড় বাটন দেখতে পাবেন। এতে ক্লিক করলে গেম বুষ্টার এক্টিভ হবে। অর্থাৎ এ পদ্ধতিতে আপনি গেম বুষ্টার এক্টিভ করতে পারবেন তবে গেম নিজ থেকে চালু হবে না, আপনাকে মাই কম্পিউটারে গিয়ে বা সর্টকাট দিয়ে গেম নিজ থেকে চালু করতে হবে।

গেম বুষ্টারের মেইন উইন্ডোর একবারে নিচের দিকে আপনার CPU, Mainboard (Motherboard), Videocard, Harddisk ইত্যাদির তাপমাত্রা এবং Fan Speed দেখতে পাবেন।

এবার গেম বুষ্টারের উইন্ডোর উপরের মেনু গুলোর কাজ দেখা যাকঃ (চিত্রের সাথে নম্বার মিলিয়ে পড়ুন)

4. GameBox এ ক্লিক করলে উপরের প্রথম/প্রধান উইন্ডোটি চালু হবে। যার কাজ উপরেই দেখানো হয়েছে।

5. Diagnose এ ক্লিক করলে নিচের মত একটি উইন্ডো আসবে। এটি দিয়ে আপনার পিসির সব তথ্য বের করা এবং এক্সপোর্ট করা যাবে। এ এক্সপোর্ট করা ফাইল বিভিন্ন গেমিং ব্লগ/ফোরামে গেমের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করতে সাহায্য করবে।

Analyze বাটনে ক্লিক করলে পিসির সব তথ্য গেম বুষ্টার সংগ্রহ করে নিচের চিত্রের মত দেখাবে। Copy বাটনে ক্লিক করে এ লেখা গুলো কপি করতে পারবেন। Export বাটন দিয়ে লেখা গুলোকে টেক্সট (.txt) ফাইল হিসেবে সেভ করতে পারবেন। Upload বাটনে ক্লিক করলে ওয়েব ব্রাউজারে IObit এর একটি পেজ চালু হবে যেখানে বলা হয়েছে, Analyze করে যে তথ্য পাওয়া গেছে তা কোথায় কাজে লাগবে; কিভাবে, কোথায় এটি আপলোড করতে হবে এবং এ তথ্য গুলোর কোনটা কি নির্দেশ করছে তা।

IObit এর নিজস্ব গেমিং ফোরামের লিঙ্কঃ www.g-forums.net

এখানে ফ্রি সাপোর্ট পাবেন যে কোন গেমিং প্রবলেমের।

6. Tools বাটনে ক্লিক করলে তিনটি অপশন পাওয়া যাবে। সেগুলোর কাজ নিচে দিয়েছি।

7. FPS বাটনে ক্লিক করলে নিচের উইন্ডোটি দেখতে পাবন। যা থেকে আপনি গেম খেলার সময় তিনটি সুবিধা পাবেন। সেগুলো হলঃ

  • FPS: গেমের FPS (Frame Per Second) কত তা দেখতে পাবেন।
  • Video: গেম খেলার সময় গেম কে ভিডিও হিসেবে ক্যাপচার করতে পারবেন।
  • Screenshot: গেম খেলার সময় গেমের স্ক্রিনসট নিতে পারবেন।

FPS বাটনে ক্লিক করলে নিচের মত উইন্ডোটি আসবে। দেখতেই পাচ্ছেন এ উইন্ডোটি FPS, Video এবং Screenshot এ তিন অংশে বিভক্ত। প্রত্যেক অংশে আলাদা হট-কি (কিবোর্ডে যে বা যেসব কি দিয়ে এক প্রোগ্রাম চালু অবস্থায় অন্য প্রোগ্রামের কাজ করা যায়) ঠিক করে দেয়ার অপশন আছে। গেম খেলার সময় যে কাজটি করতে চান তার হট-কি চাপ দিলেই সে কাজটি চালু হবে। আবার আগের হট-কি চাপ দিলে কাজটি বন্ধ হবে।

ডিফল্টি হিসেবে FPS দেখার জন্য Ctrl+Alt+F, Video ক্যাপচার করার জন্য Ctrl+Alt+Y এবং Screenshot নেয়ার জন্য Ctrl+Alt+Y হট-কি নির্বাচন করে দেয়া আছে।

11. উপরের ফাংশন গুলো চালু করার জন্য প্রথমে এ বাটনে ক্লিক করে বাটনটি ON করতে হবে। উপরের চিত্রে বাটনটি চালু অবস্থার চিত্র দেয়া হয়েছে।

12. এখানে Change বাটন দিয়ে Video এবং Screenshot কোথায় সংরক্ষন করবেন তা দেখিয়ে দিতে পারবেন। View দিয়ে যে ফোল্ডার বর্তমানে সংরক্ষনের জন্য সিলেক্ট করা আছে সে ফোল্ডারটি ওপেন করতে পারবেন।

8. Tweaks বাটনটি চাপ দিলে নিচের উইন্ডোটি আসবে। Tweak বলতে এমন কিছু সেটিংস বুঝায় যা দিয়ে উইন্ডোজকে কাষ্টমাইজ করা যায়, এবং কিছু Tweak আছে যে গুলো দিয়ে পিসির স্পিডও বাড়ানো যায়। এ Tweaks উইন্ডোতে গেমের গতি বাড়তে পারে এরকম কিছু টুইক্স দেয়া আছে। Optimize বাটনে ক্লিক করে এসব টুইক্স সক্রিয় করতে পারবেন।

কিছু টুইক্স আছে যা পরিবর্তন করলে অন্য প্রোগ্রামের সমস্যা হতে পারে। টুইক্স সক্রিয় করার পর কোন সফটে সমস্যা দেখা দিলে Restore বাটনে ক্লিক করে Restore to Windows Default এ ক্লিক করে সেটিংস আগের মত করতে পারবেন। তবে এ ধরনের সফটওয়্যার জনিত সমস্যা খুবই কম ক্ষেত্রেই হয়ে থাকে।

9. Defrag এ ক্লিক করলে নিচের উইন্ডোজটি আসবে। ডিফ্র্যাগমেন্ট কে সহজ ভাবে বুঝাতে গেলে বলা যায় হার্ডডিস্কের সকল ফাইলকে সাজিয়ে রাখাই হচ্ছে ডিফ্র্যাগমেন্ট। কাজ করার সময় হার্ডডিস্ক ফাইলকে কাজের সুবিধার জন্য হার্ডডিস্কের অন্য যায়গাতে ট্রান্সফার করে। কিন্তু কাজ শেষ হলে তা আবার আগের যায়গাতে ফিরিয়ে দেয় না। এভাবে কাজ করতে করতে ফাইল গুলো এলোমেলো হয়ে যায়। ফলে হার্ডডিস্ক ফাইল সহজে খুজে পায় না এবং যার ফলে সিস্টেমের গতি কমে যায়। তাই ডিফ্র্যাগমেন্ট করতে হয় ফাইল গুলো পুনরায় সাজিয়ে রাখার জন্য। পিসির গতি ঠিক রাখার জন্য মাসে একবার ডিফ্র্যাগমেন্ট করা উত্তম।

গেম বুষ্টারের Defrag অংশটি দিয়েও ডিফ্র্যাগমেন্টের কাজ করা যাবে। তবে গেম বুষ্টার দিয়ে আপনি নির্দিষ্ট করে শুধু কোন গেমের ফাইল গুলোকে ডিফ্র্যাগমেন্ট করতে পারবেন। কারন সম্পূর্ন হার্ডডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্ট করতে অনেক সময় লাগবে। তার চেয়ে গেমের ফাইল গুলো শুধু ডিফ্র্যাগমেন্ট করলে সময় কম খরচ হবে। ডিফ্র্যাগমেন্ট করতে Add+ বাটনে ক্লিক করে গেমের .exe (যে ফাইলটি দিয়ে সাধারনত গেম চালু করা হয়) ফাইলটি দেখিয়ে দিন। তাহলে তার সর্টকাট উইন্ডোটিতে চলে আসবে। এবার গেমটি সিলেক্ট করে Defrag এ ক্লিক করুন।

10. Drivers বাটনে ক্লিক করলে নিচের উইন্ডোটি আসবে। নাম শুনেই বুঝতে পারছেন এটি আপনার পিসির গেমের সাথে সংশ্লিষ্ট হার্ডওয়্যারের (সাধারনত ভিডিও, অডিও ইত্যাদি কার্ডের) ড্রাইভার চেক করে দেখবে, যে নতুন কোন ড্রাইভার বের হয়েছে কিনা। নতুন ড্রাইভার থাকলে তা উইন্ডোটিতে দেখাবে। Rescan দিয়ে ড্রাইভার স্ক্যান এবং Download দিয়ে নতুন ড্রাইভার থাকলে তা ডাউনলোড করা যাবে।

মোটামুটি কাজ এগুলোই। শুরুতেই দেখেছেন ডেস্কটপে ২টি সর্টকাট আসে। প্রথমটির কাজ তো দেখলেন। পরেরটি অর্থাৎ Switch to Gaming Mode এ ক্লিক করলে সরাসরি গেম বুষ্টার এক্টিভ হবে এবং তা মিনিমাইজ হয়ে সিস্টেম ট্রে (উইন্ডোজের যেখানে সময় দেখায় তার  বাম পাশে আইকনের যায়গাটিকে বলা হয় সিস্টেম ট্রে) তে চলে যাবে।

এত সব সুবিধা ফ্রিতে পেয়েও ছেড়ে দিবেন! আজই আপনার কপি ডাউনলোড করুন। আবার বলছি এর ফ্রি ডাউনলোডের মেয়াদ এ মাসের (জুন ২০১২) ৩০ তারিখ পর্যন্ত।

ডাউনলোড লিঙ্কঃ www.iobit.com/gamebooster.html

আমি উপরে গেম বুষ্টার ৩.৫ বেটা সম্পর্কে বর্ননা করেছি। আমি এ ভার্সনটা ব্যবহার করেছি এবং বেটা ভার্সনটাই ডাউনলোড করার জন্য Recommend করছি।

আজ এ পর্যন্তই। কোন সমস্যা বা প্রশ্ন থাকলে কমেন্টে বলবেন।

ধন্যবাদ।

WinRAR 4.01 এবং Your Uninstaller 7.3.2011.04 এর নতুন ভার্সন + সিরিয়াল

উইনরার (WinRAR) চেনেন না এরকম মানুষ খুব কমই আছে। উইনরার সব ধরনের কমপ্রেস ফরমেট সাপোর্ট করে এবং এটি দিয়ে যে কোন ফাইল সর্বোচ্চ কম্প্রেস অর্থাৎ ফাইল/ফোল্ডারের আকার (Size) সর্বোচ্চ সংকুচিত করার যায়। এটি দিয়ে ফাইল/ফোল্ডারের সাইজ সর্বোচ্চ ছোট করার নিয়ম এখানএখান থেকে দেখে আসতে পারেন। উইনরারের সাইজ খুব ছোট এবং ব্যবহার খুব সহজ, তাই এটির জনপ্রিয়তাও বেশী। এর নতুন ভার্সন ৪.০১ এখান থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন।

এবার ইউর আনইনস্টলার (Your Uninstaller) সম্পর্কে কয়েকটা কথা বলি। উইন্ডোজে ডিফল্ট হিসেবে যে আনইনস্টলার দেয়া থাকে তা দিয়ে কোন সফটওয়্যার আনইনস্টল করলে ঐ সফটওয়্যারের অনেক ফাইল এবং রেজিট্রি কী থেকে যায়। এতে প্রয়োজনীয় জায়গা নষ্ট হয় এবং রেজিষ্ট্রির আকার বাড়তে থাকে। এসব সমস্যা থেকে বাচার জন্যই ইউর আনইনস্টলার ব্যবহার করা হয়। এর সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন। এর সর্বশেষ ভার্সন ৭.৩.২০১১.০৪ এখান থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন।
আজ আর কিছু দেয়ার মত নেই  🙂 . নতুন কিছু পেলে আবার শেয়ার করার জন্য চলে আসব। সে পর্যন্ত বিদায়। কোন সমস্যা হলে কমেন্টে বলবেন। ধন্যবাদ।

বিঃদ্রঃ সফটওয়্যার গুলোর সাথেই সিরিয়াল ও প্যাচ দেয়া আছে।

ইয়েসাস পার্টিশন মাস্টার (EASEUS Partition Master) – দারুন একটি পার্টিশন ম্যানেজার

কম্পিউটারের একটি প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার হার্ডডিস্ক। অপারেটিং সিস্টেম, সফটওয়্যার, গান, মুভি, ডাটা ইত্যাদি সব হার্ডড্রাইভে সংরক্ষিত থাকে। আমরা এসব সাজিয়ে রাখার জন্য হার্ডড্রাইভকে বিভিন্ন পার্টিশনে ভাগ করে থাকি। এ পার্টিশন ভাগ করার জন্য পার্টিশন ম্যানেজারের প্রয়োজন হয়। আজ ইয়েসাস (EASEUS) নামে একটি পার্টিশন ম্যানেজারের সাথে আপনাদের পরিচয় করিয়ে দেব। এটির দুটি এডিশন আছে একটি হোম এডিশন আরেকটি প্রোফেশনাল এডিশন। প্রোফেশনাল এডিশন আপনাকে কিনতে হবে, আর হোম এডিশন আপনি ফ্রি ব্যবহার করতে পারবেন। হোম এডিশনে প্রোফেশনাল এডিশন থেকে কয়েকটি সুবিধা কম আছে। তবে প্রয়োজনীয় সব সুবিধা হোম এডিশন দেয়া আছে। এর ফ্রি ভার্সন এখান থেকে ডাউনলোড করতে পারেন।

এর প্রধান সুবিধাঃ
১. এর ইন্টারফেস ইউজার ফ্রেন্ডলি। তাই সহজেই এটি ব্যবহার করতে পারবেন।
২. এটি পেনড্রাইভ সাপোর্ট করে।
৩. এটি দিয়ে আপনি সম্পূর্ন হার্ডডিস্ক বা শুধু পার্টিশন Wipe করতে পারবেন। কোন পার্টিশন Wipe করলে সে পার্টশনের ডাটা আর কখনো ফিরিয়া আনা যাবে না। আমরা যখন কোন ফাইল ডিলিট করে দেই তখন তা মুছে গেছে দেখা গেলেও আসলে মুছে না। ঐ ফাইলের জায়গাতে অন্য কোন ফাইল না প্রতিস্থাপিত হওয়া পর্যন্ত ঐ যায়গায় ফাইলটি থেকে যায়, শুধু ব্রাউজারে দেখা যায় না। যে কোন ডাটা রিকভারি টুল দিয়ে সেগুলো ফিরিয়া আনা যায়। এখন আপনার যদি খুব প্রয়োজনীয় কোন ডাটা থাকে, যা আর কেউ যাতে ফিরিয়া আনতে না পারে তা চান, তাহলে Wipe অপশনটা ব্যবহার করতে পারেন।
৪. ধরুন নতুন হার্ডডিস্ক কিনেছেন। এখন ভাবছেন এটাতে কি কি পার্টিশন তৈরি করবেন এবং কোন পার্টিশনে কত টুকু জায়গা রাখবেন, এরকম অবস্থায় আপনাকে এটি সাহায্য করতে পারবে। [নিচে বিস্তারিত বর্ননা দেয়া আছে]
৫. এতে পার্টিশন কপি করার সুবিধা আছে।
৬. এর একটি বড় সুবিধা হল এটির নিজস্ব হার্ডডিস্ক চেকার ফাংশন আছে। এতে আপনি আপনার হার্ডডিস্ক চেক করে সমস্যা বের করতে এবং সমাধান করতে পারবেন।
৭. এছাড়া পার্টিশনের সাধারন কিছু কাজ যেমনঃ রিসাইজ, মুভ, ডিফ্র্যগমেন্ট, ফরমেট ইত্যাদি সুবিধা তো আছেই।
এগুলোই মোটামুটি এর সুবিধা।

এর ইন্টারফেসের বিভিন্ন অংশঃ [চিত্রের নম্বরের সাথে মিলিয়ে পড়ুন]

1. এ অংশে আপনি এর সব ফংশন গুলো দেখতে পাবেন।
2. এখনে আপনি কাজের ধারা দেখতে পাবেন। ধরুন আপনি প্রথমে একটি পার্টিশন ডিলিট করতে আদেশ দিয়েছেন, তারপর তাকে ফরমেট করার আদেশ দিয়েছেন, সেগুলো এখানে দেখা যাবে। কাজের আদেশ দেয়ার পর প্রথমে এখানে তা দেখা যাবে, সব ঠিক থাকলে আপনি 5 নং চিহ্নিত বাটনে ক্লিক করলে আপনার দেয়া আদেশ গুলো এটি পালন করা শুরু করবে।
3. এখানে আপনি আপনার হার্ডডিস্ক এবং তার সব পার্টিশনের বিস্তারিত তথ্য দেখতে পাবেন।
4. এখানে আপনার পার্টিশনের অবস্থা চিত্রের মাধ্যমে দেখাবে।

৪ নং সুবিধাটির ব্যবহারঃ
ধরুন নতুন হার্ডডিস্ক কিনেছেন। এখন ভাবছেন এটাতে কি কি পার্টিশন তৈরি করবেন এবং কোন পার্টিশনে কত টুকু জায়গা রাখবেন, এরকম অবস্থায় আপনাকে এটি সাহায্য করতে পারবে। আপনার যদি শুধু একটি হার্ডডিস্ক থাকে তাহলে এ সুবিধা ব্যবহার করা যাবে না। আপনি এ সুবিধা ব্যবহার করতে আপনার হার্ডডিস্কটি অন্য কম্পিউটারে লাগিয়ে বা আপনার কম্পিউটারে একাধিক নতুন কোন হার্ডডিস্ক লাগালে বা এক্সটার্নাল হার্ডডিস্কে লাগালে এ সুবিধা ব্যবহার করতে পারবেন। কারন এ সুবিধা ব্যবহারের জন্য প্রথম সব পার্টিশন ডিলিট করতে হয়, যা একটি হার্ডডিস্ক থাকলে করা সম্ভব না।
এখন একাধিক হার্ডডিস্ক লাগানো থাকলে EASEUS Partition Master চালু করুন। এবার 4 নং অংশ থেকে আপনার নতুন হার্ডডিস্কটির সব পার্টিশনে রাইট ক্লিক করে ডিলিট করে দিন (ফাংশনটির নাম Delete partition)। নতুন হার্ডডিস্ক সাধারনত Disk2 নামে দেখা যাবে। সব পার্টিশন ডিলিট করা হলে Unallocated লেখাটা দেখতে পাবেন। এবার নতুন হার্ডডিস্কের Basic MBR লেখাতে রাইট ক্লিক করে Partition scheme এ ক্লিক করুন।

তাহলে নিচের মত একটি উইন্ডো আসবে। এখানে Partition Scheme থেকে বেছে নিন আপনি কোন ধরনের বা কিভাবে পার্টিশনকে ভাগ করতে চান। তারপর OK বাটনে ক্লিক করে 5 নং চিহ্নিত বাটনে ক্লিক করলে এটি কাজ শুরু করে দিবে।

আমি আমার সব পোষ্টে চেষ্টা করি আমার লেখা যাতে সব ধরনের কম্পিউটার ইউজার বুঝতে পারে। তারপরও যদি আমার কোন লেখা বুঝতে সমস্যা হয় বা কোন প্রশ্ন থাকে আপনি নির্দ্বিধায় তা কমেন্টে বলতে পারেন। আজ এ পর্যন্তই ধন্যবাদ।

দি গডফাদার (The GodFather) – এমপিথ্রী (MP3) ফাইলের ট্যাগ পরিবর্তন করার অসাধারন একটি সফটওয়্যার

দি গডফাদার (The GodFather) – এমপিথ্রী (MP3) ফাইলের ট্যাগ পরিবর্তন করার অসাধারন একটি সফটওয়্যার
আজ এমপিথ্রী (MP3) ফাইলের ট্যাগ পরিবর্তন করার জন্য সুন্দর একটি সফটওয়্যারের সাথে পরিচয় করিয়ে দেব। এর নাম দি গডফাদার (The GodFather)। এটি একটি ফ্রি সফটওয়্যার। এর সাইজও ছোট। এটি এমপিথ্রী ছাড়াও .ogg, .mp2/.mpc/.mpp, .ape, .flac, .acc, .api, .wv, .mp4/.m4a/.m4b, .ofr/.pfs, .spx, .tta ইত্যাদি ফাইলের ট্যাগ পরিবর্তন করতে পারে। এর আরও কিছু অতিরিক্ত সুবিধা আছে যেমনঃ গানের ফাইলের নাম পরিবর্তন করা, গান অর্গানাইজ করা, ডুপ্লিকেট গানের ফাইল সনাক্ত করা, প্লে লিস্ট তৈরি করা ইত্যাদি। এর ইন্টারফেস ইউজার ফ্রেন্ডলি। তাই খুব সহজেই এটি দিয়ে কাজ করতে পারবেন। এটি ইউনিকোডও সাপোর্ট করে।

ডাউনলোডঃ

এ পোষ্টটি লেখার সময় দি গডফাদারের শেষ ভার্সন ছিল ০.৮০। তাই নিচে দি গডফাদার এর ০.৮০ ভার্সন দিয়ে গানের ট্যাগ পরিবর্তন করার নিয়ম দেখানো হল। এর পরে কোন ভার্সন বের করলেও কাজ নিচের মত না হলেও কাছাকাছি অবশ্যই হবে।

১. গানের ট্যাগ পরিবর্তন করার জন্য প্রথমে দি গডফাদার সফটওয়্যার টি ইনস্টল করে চালু করুন। তারপর মেনুর নিচে থেকে বড় Tag বাটনে ক্লিক করুন।

২. এবার বামে ফোল্ডার ব্রাউজারের নিচের দিকে Sub folder এবং Auto scan লেখা চেক বক্স দুটিতে চেক দিন এবং ফোল্ডার ব্রাউজার থেকে আপনার গানের ফোল্ডারটি সিলেক্ট করে দিন। তাহলে ঐ ফোল্ডারের ভিতরের সব গানের ফাইল দেখা যাবে। ফোল্ডারের ভিতর সাব ফোল্ডার থাকলে তার ফাইলও দেখা যাবে।

৩. এখন গানের ফাইল গুলোর আগের সব ট্যাগ মুছে ফেলার জন্য গানের লিস্টের উপরে থেকে Batch… এ ক্লিক করে Delete > All Tags এ ক্লিক করে OK ক্লিক করুন। তাহলে লিস্টের গান গুলোর পুরাতন সব ট্যাগ মুছে যাবে।

৪. এবার লিস্টের নিচের বক্স থেকে প্রয়োজনীয় ট্যাগের ঘর পূরন করুন।

ট্যাগের ঘর পূরন করার জন্য কিছু ফাংশন এতে দেয়া আছে। সেগুলো ব্যবহারের জন্য ট্যাগের ঘরের উপর মাউস পয়েন্টার নিয়ে গিয়ে মাউসের রাইট বাটন ক্লিক করুন। তাহলে সাব মেনুতে সব ফাংশন দেখতে পাবেন। তাছাড়া নিজে লিখেও ট্যাগের ঘর পূরন করতে পারেন।

৫. ট্যাগের ঘর পূরন করা হয়ে গেলে গানের লিস্টের উপর থেকে প্রথমে Apply > OK এবং তারপর Update > Ok বাটনে ক্লিক করুন। তাহলেই লিস্টের সব ফাইলে আপনার দেয়া ট্যাগ যোগ হবে।

এর অন্য ফাংশন গুলোর ব্যবহার পদ্ধতিও উপরের মত। আশা করি সফটওয়্যারটি কাজে লাগবে। সফটওয়্যারটি ব্যবহার করতে কোন সমস্যা হলে কমেন্ট করবেন।
ধন্যবাদ।

কম্পিউটার, নেট ও গেমের স্পিড বাড়ান গেম বুস্টার (Game Booster) দিয়ে

আমরা যখন কম্পিউটার চালু করি তখন প্রয়োজনীয়-অপ্রয়োজনীয় অনেক প্রোগ্রাম চালু হয়। অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম গুলো চালু থেকে অযথা প্রসেসরের স্পিড ও র‍্যামের প্রয়োজনীয় যায়গা দখল করে রাখে। এসব অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম বন্ধ করার জন্য গেম বুস্টার সফটওয়্যারটি ব্যবহার করতে পারেন।

এটি অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও প্রসেস বন্ধ করে কম্পিউটারের গতি বাড়ায়ে দেয়। এতে নেটের স্পিড ও একটু বেশী পাবেন। কারন উইন্ডোজের যেসব সার্ভিস অকারনে নেট ইউজ করে যেমন অটোমেটিক আপডেট, টাইম আপডেট ইত্যাদি সার্ভিস গুলোকে গেম বুস্টার বন্ধ করে দেয়। সফটওয়্যারটি অপ্রয়োজনীয় প্রোসেস বন্ধ করে দেয় এতে আপনি গেম খেলার সময়ও পিসির সর্ব্বোচ্চ গতি পাবেন। এ সফটওয়্যারটি একদম ফ্রি। এর সাইজ প্রায় ৫ মেগাবাইট। এটি এখান থেকে ডাউনলোড করতে পারেন। এটি ডাউনলোড করে ইনস্টল করে চালু করে Switch to Gaming Mode! বাটনে ক্লিক করলেই এটি অপ্রয়োজনীয় প্রোসেস বন্ধ করে এবং সয়ংক্রিয় হাইড হয়ে নোটিফিকেশন এরিয়াতে চলে যাবে। আশা করি সফটওয়্যারটি উপকারে আসবে। ভাল লাগলে কমেন্ট করবেন।

পাসওয়ার্ড সুরক্ষিত রাখার জন্য ব্যবহার করুন কিপাস (KeePass) – যাদের পাসওয়ার্ড মনে থাকে না তারাও দেখতে পারেন

কম্পিউটার ও ইন্টারনেট দুনিয়ায় পাসওয়ার্ড একটি গুরুত্বপূর্ন জিনিস। একটু অসাবধান হলেই আপনার পাসওয়ার্ড পড়ে যেতে পারে হ্যাকার বা কোন খারাপ ব্যাক্তির হাতে। যাদের অনেক পাসওয়ার্ড তারা অনেক সময় পাসওয়ার্ড মোবাইলে বা নোটপ্যাডে লিখে রাখেন। অনেকে ডায়রিতেও লিখেন। কিন্তু এগুলো তেমন নিরাপদ না। যে কোন সময় যে কারও হতে পড়ে যেতে পারে। এই পাসওয়ার্ড নিরাপদ রাখার জন্য সুন্দর এবং ফ্রি সফটওয়্যার কিপাস (KeePass). এর সাইজ ২ মেগাবাইটেরও কম। এতে কোন ইনস্টলের ঝামেলা নেই। তাই আপনি একে পেনড্রাইভে করেও ব্যবহার করতে পারবেন। কোথাও এটি ফেলে আসলেও অসুবিধা নেই। কেউ এর থেকে আপনার পাসওয়ার্ড দেখাতে বা ব্যবহার করতে পারবেনা। সফটওয়ারটি ব্যবহার করার নিয়ম নিচে দেয়া হল তাহলে ভাল করে উপরের কথা গুলো বুঝতে পারবেন।
প্রথমে সফটওয়্যারটি এখান থেকে ডাউনলোড করুন। এবার ডাউনলোড করা ফাইলটি আনকম্প্রেস করে keePass চালু করুন।
এবার File মেনু থেকে New এ ক্লিক করুন। কিপাস এর জন্য একটি পাসওয়ার্ড দিন এবং OK তে ক্লিক করুন। আপনাকে শুধু এই পাসওয়ার্ডটি মনে রাখতে হবে। অন্য গুলো মনে রাখবে কিপাস।
এতে কোন পাসওয়ার্ড যোগ করতে কিপাস এর মেনুবারের নিচ থেকে নিচের মত আইকনটিতে ক্লিক করুন।
তাহলে নিচের মত একটি উইন্ডো আসবে। এখান কোন ঘরে কি লিখতে হবে তা নিচে একটি উদাহরন দিয়ে দেখানো হলঃ
Group: Network
Title: WordPress.com
User name: Hacker_Shohag
Password: ******* (পাসওয়ার্ড ঘর খালি করতে হলে Shift + Home চাপুন)
Repeat: ******* (পাসওয়ার্ড ঘর খালি করতে হলে Shift + Home চাপুন)
URL: http://www.wordpress.com
আপনি অন্য ঘর গুলো চাইলে পুরন করতে পারেন। আপনার এ পাসওয়ার্ডের জন্য একটি আইকন নির্দিষ্ট করতে Icon লেখার পাশের বাটনটিতে ক্লিক করুন। সব কাজ শেষ হলে OK বাটনে ক্লিক করে বের হয়ে আসুন।
এভাবে আপনার সব পাসওয়ার্ড এখানে সেভ করে রাখতে পারেন। পাসওয়ার্ড সেভ করতে Ctrl + S চাপুন। তারপর এর পাসওয়ার্ড ডাটাবেজ ফাইলটি কোথায় সেভ করবেন তা দেখিয়ে একটি নাম দিয়ে Save বাটনে ক্লিক করুন। কিপাস ডাটাবেজ ফাইলটিতে আপনার পাসওয়ার্ড গুলো এনক্রিপ্ট করে রাখবে। আপনি পেনড্রাইভে এই সফটওয়্যারটি ব্যবহার করতে চাইলে সফটওয়্যারটির সাথে সেভ করা ডাটাবেজ ফাইলটিও নিতে হবে। পরে এটি চালু করে File মেনু থেকে Open এ ক্লিক করে ডাটাবেজ ফাইলটি ওপেন করতে হবে। তখন শুরুতে দেয়া পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে ডাটাবেজ ফাইলটি চালু করতে হবে।
এখন কোন কিছুর ইউজার নেম বা পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে হলে কিপাস এর উইন্ডো থেকে সেই ইউজার নেম বা টাইটেলের উপর ক্লিক করুন। তারপর ইউজার নেম লাগলে নিচের ১নং লেখা আইকনটিতে ক্লিক করতে হবে। তাহলে এটি উইন্ডোজের ক্লিক বোর্ডে ১০ সেকেন্ডের জন্য ইউজার নেমটি কপি করে রাখবে। এ সময়ের ভিতর আপনাকে নির্দিষ্ট জায়গাতে অর্থাৎ যেখানে ইউজার নেম দেবেন সেখানে Ctrl + V দিয়ে ইউজার নেম পেস্ট করতে হবে। আবার পাসওয়ার্ড এর জন্য নিচের ২নং লেখা আইকনটিতে ক্লিক করে ১০ সেকেন্ডের মধ্যে নির্দিষ্ট জায়গাতে একই নিয়মে পাসওয়ার্ড পেস্ট করতে হবে।
এ সফটওয়্যারটি ব্যবহার করলে আপনাকে কষ্ট করে ইউজার নেম বা পাসওয়ার্ড কষ্ট করে লিখতে হবে না মনেও রাখতে হবে না। একটি পাসওয়ার্ড মনে রাখলেই হবে। আশা করি সফটওয়্যারটি আপনাদের উপকারে আসবে। ভাল লাগলে কমেন্ট করার চেষ্টা করবেন।